আপনি নিশ্চয়ই ভ্রমণপিপাসু। আপনি ভ্রমণ করে আসতে পারেন রাঙামাটি জেলার কৃত্রিম হ্রদ কাপ্তাই থেকে।এখানে পাবেন কাপ্তাই ভ্রমনের বিস্তারিত।
কাপ্তাই হ্রদ। এটি বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের রাঙামাটি জেলার একটি কৃত্রিম হ্রদ। কাপ্তাই লেককে ঘিরেই মূলত রাঙামাটি জেলার পর্যটন শিল্প গড়ে উঠেছে।
এই লেকের উপর রয়েছে বিখ্যাত ঝুলন্ত ব্রীজ। লেকের দুই ধারই পাহাড়-টিলা দিয়ে ঘেরা। ট্রলার ভাড়া করে লেকে ভ্রমণ করা যায়। ট্রলারে করে যাওয়া যায় শুভলং জলপ্রপাতে।
লেকের পাড়ে রয়েছে নতুন চাকমা রাজবাড়ি ও বৌদ্ধ মন্দির। পুরাতন চাকমা রাজবাড়ি কাপ্তাই বাঁধ নির্মানের সময় লেকে তলিয়ে যায়। রাজবন বিহার বাংলাদেশে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বৃহত্তম বিহার রাঙামাটি শহরের অদূরেই অবস্থিত, যা পূণার্থী এবং দর্শনার্থীদের অন্যতম আর্কষনীয় স্থান ।
কাপ্তাই হ্রদ এর পাশেই রয়েছে বিখ্যাত “বেরাইন্নে” ক্যাফে । শুধু ঘুরাঘুরির জন্য হলেও এখানে আসতে পারেন, এখানে হ্যামক, ছবি তোলার জায়গা, বসার জায়গা সবই আছে, পাশেই একটা ব্রিজ আছে, ওখানেও ঘুরতে যেতে পারেন।
লেকের পাশে বসলেও ঠান্ডা বাতাসে মন ভালো হয়ে যাবে। ম্যানেজার এবং ওখানকার মানুষ জন সবার বিহেভ ই অনেক ভালো। আর যাবার আগেই উনাদের ফোন করে কি কি খাবেন ফুড আইটেম জানিয়ে যেতে হবে এবং হাফ এমাউন্ট টাকা বিকাশ করতে হবে। উনাদের ফোন নাম্বার - ০১৭১৮৪২৭৬৫০।
কাপ্তাই হ্রদ এ রয়েছে কায়াকিং এর সুবিধা, পার পার্সন ১৫০ টাকা করে, এ এক অন্য রকম অভিজ্ঞতা।
কিভাবে যাবেনঃ
যাবার জন্য প্রথমে লিচুবাগান যেতে হবে, কাপ্তাই এর লোকাল বাস আছে, সিএনজি আছে, যেকোনোভাবে যেতে পারেন।
ওখান থেকে বড় বাজার যাবেন লোকাল সিএনজি করে অথবা রিজার্ভ ও নিতে পারেন, সেখান থেকে সিএঞ্জি রিজার্ভ করে যাবেন, ২৫০ টাকা ভাড়া নিবে, এই যাওয়ার পথটাও অনেক সুন্দর, আঁকাবাকা পাহাড়ি রাস্তা, তবে সন্ধ্যার আগেই ফিরে আসতে হবে কারন সন্ধ্যার পর ওখান দিয়ে চলাচল করা সেফ না, বন্য হাতী চলাচল করে।
যদি সিএনজি করে যান তবে বেটার হবে সেম সিএনজি তে করে ফিরে আসা, কথা বলে নিলেই উনারা ওয়েট করেন, তখন আপডাউন টোটাল ৫০০ টাকা নিবেন।
কাপ্তাই এর এ জায়গাটা খুবি সুন্দর, ময়লা আর চিপ্সের প্যাকেট ফেলে জায়গাটাকে নস্ট করবেন না।
তাহলে হয়ে গেল কাপ্তাই হ্রদ ভ্রমণ। হ্যাপি ট্রাভেলিং
ছবি লিংক এখানে ক্লিক করুন
সূত্র Travelers of Bangladesh
আরও পড়তে পারেন
কিভাবে সহজেই গরুর মাংসের বিরিয়ানি রান্না করা যায়
বুর্জ খলিফা: বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু স্থাপত্যশৈলীর গল্প
- 1Share